শ্যামনগরে বিএনপি সম্মেলনে জাল ভোট দিতে গিয়ে ধরা: প্রতিপক্ষকে ছুরিকাঘাত, আহত ১

0
68

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনে জাল ভোট দেওয়ার সময় ধরা পড়ে প্রতিপক্ষকে ছুরিকাঘাত করেছেন শাহজালাল (২৪) নামের এক যুবক।

গতকাল শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নের আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তির নাম শহিদুল্লাহ (৩৪)। তিনি নুরনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন সরদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী শাহজালাল নুরনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট শ্যামনগর গ্রামের সুরাত আলীর ছেলে। শাহজালাল শাহাদাৎ হোসেন সরদারের প্রতিপক্ষ বাদশা ঢালীর পক্ষে একাধিকবার বুথে প্রবেশ করে ভোট দিচ্ছিলেন। এ সময় তাকে ধরে ফেললে তিনি তার পকেটে থাকা চাকু দিয়ে শহিদুল্লাহকে আঘাত করেন।

স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে শাহজালালকে ধরে একটি দোকানে আটকে রাখলেও, রাজবাড়ী কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও যুবদল নেতা রাজু আহমেদ লোকজন নিয়ে দোকান খুলে তাকে ছাড়িয়ে নেন বলে জানা যায়।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গোলাম আলমগীর বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে নুরনগর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের সম্মেলন একই কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভিড় বাড়ে এবং বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এর সুযোগ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কহীন শাহজালাল বারবার বুথে ঢুকে ভোট দেন এবং ধরা পড়ার পর ছুরিকাঘাত করে পালানোর চেষ্টা করেন।

উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির একটি পক্ষ সার্চ কমিটির সভা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কার্যক্রমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালালেও জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বাইরে থাকার কথা জানান। তবে শ্যামনগর থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল মমিন জানান, এই ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে প্রোগ্রামে পুলিশ উপস্থিত ছিল।