খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, নতুন উপজেলা ও পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ একাধিক কর্মসূচি যোগ দিতে সমুদ্র সৈকত শহর কক্সবাজারে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি শনিকার (১৩ জুন) সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সাথে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন।
এর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সাথে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন।
একদিনের এই সফরে কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, নতুন উপজেলা ও পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তিনি।
সফর সূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টায় বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সদর উপজেলার পিএমখালীতে পাতলী খাল পুনঃখননকাজের উদ্বোধন করবেন। পরে সেখানে পথসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। এরপর সড়কপথে চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টায় সাফারি পার্কে গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে তিনি সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী পেকুয়া উপজেলা সদরের উদ্দেশে রওনা করবেন। পেকুয়ায় পৌঁছে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতের পর পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর বেলা সোয়া ১টার দিকে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আবারও পেকুয়া ফিরে আসবেন। বেলা সোয়া ২টার দিকে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
পরে বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জনসভা শেষে বিকেল ৫টায় তিনি কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে যাবেন। রাত ৮টায় মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত দর্শন শেষে কক্সবাজার শহরের লং বিচ হোটেল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাতে বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে তাঁর কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে।