প্রতারণার শিকার হওয়া বগুড়ার সাতজন এইচএসসি পরীক্ষার্থী বিশেষ ব্যবস্থায় শনিবার (৪ জুলাই) বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ছয়জন এবং সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজের একজন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
এর আগে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রবেশপত্র না থাকায় পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়েও বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তারা। অথচ ফরম পূরণের জন্য নির্ধারিত অর্থ নিজ নিজ কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কাছে জমা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ফরম পূরণের টাকা নেওয়া হলেও তা নির্ধারিত সময়ে শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়নি এবং প্রবেশপত্রও ইস্যু করা হয়নি। এ কারণে তারা বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ হারান।
মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মতিউর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগের নির্দেশনা পাওয়ার পরপরই ছয় শিক্ষার্থীর নিবন্ধন কার্ড সংগ্রহ করে বোর্ডে পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
বগুড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তরিকতায় শিক্ষার্থীরা বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে। বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা পরে নেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে দুই কলেজের দুই অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।