শিশুকে শীতের শাক-সবজি খাওয়াবেন যেভাবে

0
165
ছবি: সংগৃহিত

শীতকালে বাজারে অনেক শাক-সবজি পাওয়া যায়, যা কেবল আমাদের খাবারের স্বাদই বদলে দেয় না, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও দারুণ উপকারী। তবে খুব কম মানুষই এই সবজি খেতে পছন্দ করে থাকেন। তবে বাচ্চারা সবজি মোটেই খেতে চায় না ৷

বিশেষজ্ঞদের মতে, শাক-সবজি খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে, কিন্তু সবাই শাক-সবজি খেতে পছন্দ করেন না।

যদি আপনার বাচ্চারাও সবজি খেতে না চায়, তাহলে কিছু উপায়ে তাদের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন এসব সবজি। চলুন, জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে শিশুদের সবজি খাওয়াবেন।

স্যালাড

খাদ্যতালিকায় শাক-সবজি অন্তর্ভুক্ত করার সবচেয়ে সহজ ও স্বাস্থ্যকর উপায় হলো স্যালাড। শসা, টমেটো, পেঁয়াজ, গাজর, বাঁধাকপির মতো সবজি ও অঙ্কুরিত ফল দিয়ে লবণ ও মশলা দিয়ে স্যালাড তৈরি করে খাওয়ান, যা খুবই সুস্বাদু।

স্মুদি বা স্যুপ

সবজি অনেক বাচ্চাই খেতে চায় না। এর জন্য সব থেকে ভালো পদ্ধতি হলো স্মুদি বা স্যুপ ৷ এটি বাচ্চার জন্য পুষ্টিকরও হবে। যদি কারো সবজির গঠন পছন্দ না হয়, তাহলে সেগুলোকে অন্যান্য সবজির সঙ্গে মিশিয়ে একটি সুস্বাদু স্মুদি তৈরি করুন। এ ছাড়া এটি ভালো করে কেটে স্যুপে যোগ করতে পারেন। এটি একটি পুষ্টিকর ও ভারী ব্রেকফাস্টের চমৎকার বিকল্প।

পিউরি

পালং শাক, বিট, কুমড়া ইত্যাদি কিছু সবজির পিউরি তৈরি করতে পারেন এবং যেকোনো তরকারিতে বেস হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

ভেজিটেবল স্যান্ডউইচ

সবজি রুটি খেতে স্বাদহীন মনে হতে পারে। তবে একই সবজি দিয়ে যদি স্যান্ডউইচে টিক্কি তৈরি করা হয় অথবা সস, চাটনি ও ক্রিমের সঙ্গে রোল করে দেওয়া হয় তাহলে বাচ্চা এটি খেতে পছন্দ করবে এবং এটি খেতেও স্বাস্থ্যকর হবে।

রোস্ট

কিছু সবজি ভেজে তার ওপর লেবু ও মশলা ছিটিয়ে খেলে তা মুচমুচে ও সুস্বাদু হয়ে ওঠে। মিষ্টি আলু, গাজর, পনির ও ক্যাপসিকামের মতো সবজি ভেজে খেলে এর স্বাদ বেড়ে যায়।

ভাত ও পাস্তা

বাচ্চাদের সবজি খাওয়ানোর আরো একটি উল্লেখযোগ্য উপায় হলো ফ্রাইড রাইসের মতো ভাত ও পাস্তাতে মেশানো। এভাবে সবজি খেলে সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর হবে।

এসব উপায় অবলম্বন করলে বাচ্চারা সবজি খেতে আরো আকৃষ্ট হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া না খায়। এতে আবার বদহজম বা পেটের স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। এ ছাড়া অ্যালার্জি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর খাওয়ান। আর যেকোনো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সূত্র : ইটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here